Official Website of Khulna City CorporationOfficial Website of Khulna City Corporation

Latest News


সাংবাদিকদের সাথে নিয়ে ময়ূর নদীর খনন কাজ পরিদর্শন করেন সিটি মেয়র

খুলনা সিটি কর্পোরেশনের মেয়র মোহাম্মদ মনিরুজ্জামান বলেছেন, জলাবদ্ধতা নিরসনের কাজ অগ্রাধিকার ভিত্তিতে বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। আধুনিক নগর জীবনের স্বাচ্ছন্দ ফিরিয়ে আনতে এ প্রকল্প অত্যন্ত গুরুত্ববহ উল্লেখ করে সিটি মেয়র বলেন, অবৈধ দখলদার বা সুবিধাভোগীদের অপচেষ্টায় গুরুত্বপূর্ণ এ প্রকল্পের কাজ যেন বাঁধাগ্রস্থ না হয় সেদিকে সজাগ দৃষ্টি রাখার জন্য তিনি নগরবাসীর প্রতি আহবান জানান। খুলনা নগরবাসী ও ভবিষ্যৎ প্রজন্মের বৃহত্তর স্বার্থে জলাবদ্ধতা নিরসন ও পরিবেশ বিপর্যয় রোধে মহানগরী ও এর পার্শ্ববর্তী এলাকার খালসমূহ যে কোন মূল্যে দখলমুক্ত রাখা দরকার বলে সিটি মেয়র উল্লেখ করেন। 

সিটি মেয়র আজ বৃহস্পতিবার সকাল ৯টায় নগরীর বিভিন্ন খালের খনন কাজ পরিদর্শনকালে উপস্থিত সাংবাদিকদের সাথে মতবিনিময়কালে এ কথা বলেন। বিভিন্ন দৈনিক পত্রিকায় খাল খনন কাজে অনিয়ম সংক্রান্ত সংবাদ প্রকাশিত হওয়ায় সিটি মেয়র সাংবাদিকদের সাথে নিয়ে খননকৃত স্থানসমূহ পরিদর্শন করেন। এ সময় তিনি জনগুরুত্বপূর্ণ এ কাজ সঠিকভাবে বাস্তবায়নের জন্য সংশ্লিষ্টদের নির্দেশ দেন। 

পরিদর্শনকালে কেসিসি’র প্যানেল মেয়র মোঃ আনিসুর রহমান বিশ্বাস, শেখ হাফিজুর রহমান, রুমা খাতুন, কাউন্সিলর মুহাঃ আমান উল্লাহ আমান, সংরক্ষিত আসনের কাউন্সিলর রাবেয়া ফাহিদ হাসনাহেনা, কেসিসি’র প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মোঃ আব্দুল হান্নান বিশ্বাস, ভারপ্রাপ্ত প্রধান প্রকৌশলী মোঃ নাজমুল ইসলাম, প্রকল্পের নির্বাহী প্রকৌশলী মোঃ ছয়ফুদ্দিন, কেসিসি’র নির্বাহী প্রকৌশলী মশিউজ্জামান খান, খুলনা প্রেস কাবের সভাপতি ফারুক হোসেন, সাধারণ সম্পাদক এস এম জাহিদ, খুলনা বিভাগীয় প্রেস কাব ফেডারেশনের সাধারণ সম্পাদক এ কে হিরু, খুলনা উন্নয়ন সংগ্রাম সমন্বয় কমিটির মহাসচিব শেখ মোশাররফ হোসেন, সভাপতি শেখ আশরাফ-উজ-জামান, আমরা খুলনাবাসীর সভাপতি ডা. শেখ নাসির উদ্দিন, সেক্রেটারী এস এম মাহবুবুর রহমান খোকন সহ স্থানীয় প্রিন্ট ও ইলেক্ট্রনিক্স মিডিয়ার সাংবাদিকবৃন্দ এবং নগরীর গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন। 

উল্লেখ্য, নগর অঞ্চল উন্নয়ন প্রকল্পের আওতায় কেসিসি ৫ কোটি ৭৮ লক্ষ ৫১ হাজার টাকা ব্যয়ে ময়ূর নদীর খনন কাজ বাস্তবায়ন করছে। প্রকল্পের কনসালট্যান্ট প্রদত্ত ডিজাইন অনুযায়ী বয়রা শ্মশান ঘাট থেকে গল্লামারী পর্যন্ত ৫.৯০ কিলোমিটার খনন করা হবে। ইতোমধ্যে ৭৫% ভাগ কাজ সম্পন্ন হয়েছে। ২০১৫ সালের জানুয়ারী মাসে ময়ূর নদীর খনন কাজ সমাপ্ত হবে বলে আশা করা যাচ্ছে। এছাড়া ক্ষুদে খাল, বাস্তুহারা খাল, নিরালা খাল, প্রান্তিক খালের খনন কাজ চলমান রয়েছে। পর্যায়ক্রমে নগরীর অভ্যন্তরীণ ২২টি খাল খনন করা হবে।